-->
পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র ধ্বংসের মুখে ! ইন্টারনেট পরিষেবা সহ মহাকাশযানের কাজ করা বন্ধ হয়ে যাবে

পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র ধ্বংসের মুখে ! ইন্টারনেট পরিষেবা সহ মহাকাশযানের কাজ করা বন্ধ হয়ে যাবে

শক্তি হারাচ্ছে পৃথিবীর ‘ম্যাগনেটিক ফিল্ড’, ঘনিয়ে আসতে পারে বিপদ। গোটা পৃথিবীটা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ওপর নির্ভর করে চলছে। এই গোটা পৃথিবীটা একটা বড়সড় চুম্বকের মতো। আর সেই চুম্বকের ক্ষমতা যদি আস্তে আস্তে কমতে থাকে তাহলে বিপদ তো নিশ্চিত। কিন্তু এবার বিজ্ঞানীরা যা দেখলেন, তা সত্যিই উদ্বেগের। জানা যাচ্ছে, সেই চুম্বকের চৌম্বকত্ব ক্ষমতা নাকি কমতে শুরু করেছে পৃথিবীর একটা অংশে।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি জানাচ্ছে, পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড কমে যাচ্ছে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্বর্তী একটি অংশে। এই ঘটনাকে বলা হয় ” সাউথ আটলান্টিক আনোমালি”। বিজ্ঞানীরা ভীষণভাবে চিন্তিত পৃথিবীর এই অদ্ভুত সমস্যায়। এর প্রভাব সরাসরি স্যাটেলাইটে পড়তে পারে। ফলে যান্ত্রিক গোলযোগের সৃষ্টি হতে পারে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, পৃথিবীর এই চৌম্বকক্ষেত্র পৃথিবী থেকে মহাশূন্য অব্দি বিস্তৃত। ভূপৃষ্ঠে এর আয়তন ২৫ থেকে ৬৫ মাইক্রোটেসলা। এই চুম্বকের ক্ষেত্রেই মহাবিশ্ব জুড়ে থাকা কোটি জাগতিক রশ্মি থেকে রক্ষা পাচ্ছে আমাদের পৃথিবী। যদি কখনো এই চৌম্বকত্ব নষ্ট হয়ে যায় তাহলে পৃথিবীতে প্রানের অস্তিত্ব থাকাটাই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।২০০ বছরে এই ফিল্ড প্রায় ৯ শতাংশ ক্ষমতা হারিয়েছে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। এই চৌম্বকত্ব কমে যাওয়ায় পৃথিবীতে মেরুর পরিবর্তনের লক্ষন হতে পারে। ম্যাগনেটিক নর্থ ও ম্যাগনেটিক সাউথের গোলমাল হতে পারে। আজ থেকে প্রায় ৭ লাখ ৮০ হাজার বছর আগে একবার পৃথিবীর মেরু পরিবর্তন ঘটেছিলো।

বিজ্ঞানীদের কথায়, প্রাথমিকভাবে কাজ করা বন্ধ হয়ে যেতে পারে মোবাইল, ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইটের। মানবসভ্যতা স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে এখন আশার আলো একটাই, এই ঘটনা ঘটতে বহু বছর সময় লাগবে। একদিকে মহামারীর প্রকোপ। আর অন্যদিকে বিপদের গন্ধে হতবাক বিজ্ঞানীরা।


Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel